কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬ এ ১১:১৪ AM
কন্টেন্ট: পাতা
পঞ্চবার্ষিক কৌশলগত পরিকল্পনাঃ
নির্বাচন কমিশনের প্রতি বিদ্যমান দৃঢ় আস্থা এবং কমিশনের বর্তমান স্বাধীনতাকে ভিত্তি করে এই অবস্থানকে আরও সসংহতকরণঃ নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার আইনগত, পদ্ধতিগত ও আচরণ সম্পর্কিত যেসব উপাদান রয়েছে সেগুলোকে সমুন্নত রাখা এবং সুরক্ষিত করা, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের গুরুত্ব সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি, নব-নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনারবৃন্দের জন্য একটি সফল দায়িত্বভার হস্তান্তর পরিকল্পনা প্রণয়ন, একটি সঠিক ভোটার তালিকা সংরক্ষণ, ভোটার তালিকায় সকল যোগ্য ভোটারের নাম একবার অন্তরভূক্তিকরণ, এবং যাহারা যোগ্য নয় তাদের নাম ভোটার তালিকা হতে কর্তন নিশ্চিতকরণ, প্রতিটি ভোটারের নিজস্ব তথ্য সহজেই যাচাইয়ের সুযোগসহ অব্যাহত ভোটার নিবন্ধনের জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা প্রবর্তন, ভোটার তালিকার জন্য একটি কম্পিউটারাইজড প্রযুক্তিগত কাঠামো সংরক্ষণ, তথ্য ভান্ডারের নিরাপত্তা সুরক্ষিত রেখে তথ্যভান্ডারের ব্যবহার সম্পর্কিত ব্যবস্থাপনা, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন সংক্রান্ত সকল বিষয়ের এবং Smart জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরী ও বিতরণের প্রশাসনিক ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন, ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানঃ নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং সক্ষমতার উন্নয়ন, নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যপ্রণালী, চর্চা ও আইনগত উপাদানসমূহ বিবেচনা করে নির্বাচন পরবর্তী পর্যালোচনা, মুল্যায়ন ও মানদন্ড প্রণয়ন প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠা, নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত বিদ্যমান সকল কার্যপ্রণালি, নির্দেশিকা, নীতিমালা ও আদর্শ কার্য-সম্পাদন পদ্ধতিসমূহকে (Standard operating procedures) বিধিবদ্ধকরণ, নির্বাচন সংক্রান্ত সকল দায়িত্ব পালনের জন্য কমিশনের নিজস্ব সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ, সংলাপ ও আইন প্রয়োগ এই উভয় পন্থার সমম্বয়ে, রাজনৈতিক দলসমূহকে আইন ও প্রবিধানসমূহ পরিপালনে উৎসাহ প্রদান, রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজকে সম্পৃক্ত করণ।